পণ্যের বিস্তারিত তথ্য
উপাদানসমূহ
(জিংক EDTA, ১০%, যাহাতে পানিতে দ্রবণীয় আয়োনাইজড (Z++) ১০০% বিদ্যমান)
সেফ স্যালাইন এর অভাবজনিত লক্ষণ
কচি পাতার মধ্য শিরা বিশেষ করে গোড়ার দিকে সাদা হয়ে যায়।
পুরাতন পাতায় মরিচা পড়া ছোট ছোট দাগ পড়ে এবং পরে বাড়ানা রং ধারণ করে।
পাতার আকার ছোট হয়; কোন কোন পাতার কিনারা ক
গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং জমিতে ফসলের বৃদ্ধি অসমান হয়।
ফসলে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
ফসল দেরিতে পরিপক্ক হয়।
টিলারিং এর সংখ্যা কমে যায় এবং ধানের চিটার পরিমাণ বেড়ে যায়।
ফসলের পরিপক্কতা আসতে বেশী সময় লাগে।
প্রয়োগমাত্রা
৩৩ শতাংশ জমিতে সেফ স্যালাইন ১৭ গ্রাম ৫০ লিটার পানিতে এবং ১ একর জমিতে সেফ স্যালাইন ৫১ গ্রাম ১৫০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।
প্রয়োগ পদ্ধতি
পাতায় স্প্রের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ সেফ স্যালাইন অল্প পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে নাড়াতে হবে যেন পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়, অতঃপর প্রয়োজনীয় পানি মিশিয়ে স্প্রে-দ্রবণ (প্রতি লিটার পানিতে ১-১.৫ গ্রাম হারে) তৈরী করে নিতে হবে অথবা মাটিতে ছিটানোর জন্য ইউরিয়া, বালি বা ছাই-এর সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে। অধিক কার্যকারিতার জন্য স্প্রে করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন স্প্রে কণা (spray droplet) বেশ সৃক্ষ (কুয়াশার মতো) হয় এবং স্প্রে-কণা পাতা চুইয়ে মাটিতে না পড়ে।
সেফ স্যালাইনের ব্যবহারের সুবিধাবলী
শতকরা ১০০ ভাগ আয়নিত বলে পাতায় স্প্রে করার সাথে সাথে গাছ সম্পূর্ণরূপে শোষণ করতে পারে।
পানিতে শতকরা ১০০ ভাগ দ্রবণীয় বলে সেফ স্যালাইন ব্যবহারের পরপরই গাছ শিকড়ের সাহায্যে দ্রুত গ্রহণ করে, তাই অপচয় কম হয়।
সঠিক প্রয়োগে ইহার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই এবং পরিবেশের উপর কোন বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
সেফ স্যালাইন ব্যবহারে জিংকের অভাব পূরণ হয়, গাছ দ্রুত সবুজ সতেজ হয়, ডালপালা ও শিকড়ের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয় এবং ফলন বাড়ে।
এছাড়া যে মাটিতে জৈব পদার্থ নেই বা কম জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ বালু মাটিতে, যে মাটিতে ক্ষারত্ব রয়েছে (পিএইচ ৭ এর অধিক), যে জমি সবসময় ভেজা থাকে, যে সব স্থানে জিংক এর অভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
গুদামজাতকরন
শুষ্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন।
সাবধানতা
শিশু ও গৃহপালিত পশু-পাখির নাগালের বাইরে রাখুন। খাদ্য সামগ্রী থেকে দূরে রাখুন।
