পণ্যের বিস্তারিত তথ্য
উপাদানসমূহ
(প্রতি কেজি সেফ ন্যাপ-এ ন্যাপথালিক এসিটিক এসিড ৯৮% আছে। সেফ ন্যাপ অতি সহজে পানিতে দ্রবনীয়।)
সেফ-ন্যাপ এর কাজ
সেফ-ন্যাপ জমি তৈরির সময় শেষ চাষের আগে ছিটিয়ে দিয়ে বীজ বপন বা চারা রোপন করলে বীজের অংকুরোদগম ও শিকড়ের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। প্রতিটি জীবিত বীজ থেকে সুস্থ, সবল ও বলিষ্ঠ চারা দ্রুত গজায়, তাই ফলন বাড়ে।
সেফ-ন্যাপ ব্যবহারে চারাগুলো শুরুতেই খুব শক্তিশালী হয়ে গজায় এবং শিকড়ের সংখ্যা স্বাভাবিক অপেক্ষা অনেক বেশি ও দীর্ঘ হয়। ফলে ফসল মাটি থেকে অধিক খাদ্য গ্রহন করতে পারে, তাই ফলন বৃদ্ধি পায়।
সেফ-ন্যাপ ব্যবহারে বীজের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে সুপ্ততা ভেঙ্গে ফেলে। ফলে মাটির ঠান্ডা আবহাওয়াতে ও শীতকালে যে সকল বীজ গঙ্গাতে অনেক সময় লাগে ঐ সকল বীজ থেকেও চারা অল্প সময়ে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।
সেফ-ন্যাপ ব্যহারে রূপান্তরিত কান্ড যেমন, টমেটো কোষ বিভাজন ত্বরা করে। ফলে ঐ সকল ফসলের ফলন অংশে বৃদ্ধি পায়।
সেফ-ন্যাপ-এ আছে বিশ্বস্বীকৃত রুট হরমোন এনএএ (NAA), ফলে প্রতিকূল কৃষিজ পরিবেশ (অতি শীত বা অতি খরা) গাছের খাদ্য গ্রহনের উপযোগী শিকড় বিস্তারে সাহায্য করে তাই গাছ সহজে যায় না।
সেফ-ন্যাপ ব্যবহারে ফসল/গাছ দৃঢ়ভাবে বেড়ে উঠে। ফলে ঝড় বৃষ্টিতে গাছ সহজেই হেলে বা ভেঙ্গে পড়ে না।
সেফ-ন্যাপ ফসলের আগাম পরিপক্বতা আনতে সহায়তা করে।
সেফ-ন্যাপ একটি শিকড় বর্ধনকারী প্লান্টগ্রোথ রেগুলেটর (NAA)।
ব্যবহার বিধি
শেষ চাষের সময় অন্যান্য সারের সঙ্গে সেফ ন্যাপ মিশিয়ে নিম্নলিখিত মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে। তবে ফল গাছের ক্ষেত্রে অন্যান্য সারের সঙ্গে সেফ ন্যাপ মিশিয়ে গাছের গোড়ায় বা গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, সেফ ন্যাপ কোন অবস্থাতেই স্প্রে করা উচিত নয়।
ফসলের নামঃ টমেটো।
প্রয়োগমাত্রা
বিঘা প্রতি ১ কেজি।
