পণ্যের বিস্তারিত তথ্য
উপাদানসমূহ
(প্রতি কেজি সেফ ম্যাগ-এ ৯৫ গ্রাম (৯.৫%) ম্যাগনেসিয়াম এবং ১২৫ গ্রাম (১২.৫%) গন্ধক রয়েছে। সেফ ম্যাগ অতি সহজে পানিতে দ্রবনীয়।)
সেফ ম্যাগ ব্যবহারের সুবিধাবলী
এই সার ব্যবহারে ফসলের আকার, স্বাদ, পুষ্টিমাণ অর্থাৎ গুণগত মান সহ ফলন বৃদ্ধি পায়।
খাদ্য-শস্য, কন্দাল ও তেল জাতীয় ফসল, আনারস, ইক্ষু, চা এবং অধিকাংশ সব্জি জাতীয় ফসলে সেফ ম্যাগ অধিক কার্যকরী।
সেফ ম্যাগ গাছকে মাটি থেকে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান সুষমভাবে গ্রহণে সহয়তা করে।
মাটির গঠন ও উর্বরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সেফ ম্যাগ গাছ ও মাটির ম্যাগনেসিয়াম সালফার জনিত ঘাটতি পূরণে সহয়তা করে।
উদ্ভিদের মূল দ্বারা মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান উত্তোলন কালে ম্যাগনেসিয়াম আয়ন পাম্প হিসাবে কাজ করে।
সেফ ম্যাগ খাদ্য তৈরীর মূখ্য উপাদান ক্লোরোফিল, কনার কেন্দ্রে অবস্থান করে তাই খাদ্য তৈরীতে সেফ ম্যাগ বিশেষ ভূমিকা রাখে।
৫ এই সার ব্যবহারে মাটিতে কোন ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না।
মাটিতে সেফ ম্যাগ অভাব হলে অন্যান্য পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদের পক্ষে গ্রহণ অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সেফ ম্যাগ এর অভাবজনিত লক্ষণ
পাতা হলদে ও পাতার শিরা সবুজ থাকে।
গাছের নতুন পাতা ছোট হয়ে যায়, কখনো মোটা বা কুড়িয়ে যায়।
পুরাতন পাতা দ্রুত শুকিয়ে যায়। গাছের পাতায় ফোঁটা তামাটে বা কমলা রংয়ের দাগ দেখা যায়।
ফসল পাকতে দেরী হয়, ফলন অতিমাত্রায় কমে যায়।
প্রয়োগেক্ষেত্র: উদ্ভিদের মূখ্য খাদ্য উপাদানের দুইটি উপাদান ম্যাগনেসিয়াম ও সালফেট বিদ্যমাণ। এই সার ব্যবহারে ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু, চা, কলা, আনারস, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, সিম, করলা, কাকরোল, পটল, ঢেঁড়স, টমেটো, গাজর, শশা, মূলা, ঝিঙ্গা, লাউ, কুমড়া, বরবটি, তরমুজ, পুঁইশাক, লালশাক, পালংশাক, সূর্যমূখী, সয়াবিন, বাদাম, সরিষা, মসুর, পেঁপে, লেবু, আম, লিচু, কুল, কাঁঠাল, কমলা, নারিকেলসহ যাবতীয় ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়।
প্রয়োগমাত্রা ও বিধি
প্রতি বিঘা জমিতে ফসলভেদে ২-৩ কেজি সেফ ম্যাগ ব্যবহার করা যায়। অন্যান্য সারের ন্যায় জমি তৈরীর সময় ছিটিয়ে দিতে হবে।
প্রয়োগ পদ্ধতি
জমি তৈরীর শেষ চাষে বা চারা লাগানোর সময় অন্যান্য রাসায়নিক সারের সাথে প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে পানির সাথে অনুমোদিত মাত্রায় মিশিয়ে স্প্রে মেশিনের সাহায্যেও প্রয়োগ করা যায়।
গুদামজাতকরন
শুষ্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন।
সাবধানতা
শিশু ও গহপালিত পশু-পাখির নাগালের বাইরে রাখুন। খাদ্য সামগ্রী থেকে দূরে রাখুন।
দ্রষ্টব্য
অ-অনুমোদিত মাত্রা বা সংরক্ষণের ত্রুটিজনিত কারনে কোন ক্ষতি হলে অত্র কোম্পানি কোন দায়-দ্বায়িত্ব বহন করবে না।
