পণ্যের বিস্তারিত তথ্য
উপাদানসমূহ
(প্রতি কেজি সেফ ন্যাপ-এ ন্যাপথালিক এসিটিক এসিড ৯৮% আছে। সেফ ন্যাপ অতি সহজে পানিতে দ্রবনীয়।)
হাই-টেক প্লাস ব্যবহারের সুবিধাবলী
হাই-টেক প্লাস ব্যবহারের ফলে ফসলের কোষকলার দ্রুত বিভাজন ঘটিয়ে শিকড় ও ডালপালার সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি করে ও পঁচা রোধ করে।
হাই-টেক প্লাস প্রয়োগ করলে ফলের গঠন, ফলের আকার, ওজন, সংখ্যা ও রং উন্নত করে সার্বিকভাবে ফলন বাড়ায় ও মাটির বিষাক্ত দ্রব্যাদি গ্রহণে গাছকে বিরত রাখে।
ইহা গাছের খাদ্য গ্রহন ক্ষমতা এবং মাটির উপকারী অনুজীব সমূহের কার্যাবলী বাড়ায়।
হাই-টেক প্লাস ব্যবহারে ফুল ফোঁটানো, ফুল গঠনে সাহায্য করে ও হরমোনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে ফুল ও কুঁড়ি ঝরে যাওয়া রোধ করে।
হাই-টেক প্লাস ব্যবহারের ফলে সকলপ্রকার ফসলের দানা বীজ পুষ্ট হতে সাহায্য করে। গাছে ও ফলে ভিটামিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
স্বাভাবিক সার ব্যবহারের পাশাপাশি স্বল্প মাত্রায় নিয়মিত হাই-টেক প্লাস ব্যবহার করলে আশানুরূপ ফলন নিশ্চিত হয়।
হাই-টেক প্লাস মাটিতে প্রয়োগ করলে মাটির গঠন, আকার উন্নত করে এবং মাটির পানি ধারন ক্ষমতা, মাটির সি ই সি (CEC) বৃদ্ধি করে।
প্রয়োগমাত্রা
প্রয়োগ পদ্ধতি
জমি তৈরীর শেষ চাষে বা চারা লাগানোর সময় অন্যান্য রাসায়নিক সারের সাথে প্রয়োগ করতে হবে।
গুদামজাতকরন
শুল্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখুন।
সাবধানতা
শিশু ও গৃহপালিত পশু-পাখির নাগালের বাইরে রাখুন। খাদ্য সামগ্রী থেকে দূরে রাখুন।
ফসলের নাম | একর প্রতি প্রয়োগ মাত্রা
ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, করলা, কাঁকরোল, পটল, ঝিঙ্গা, শিম, বরবটি, পেঁপে, তুলা, তরমুজ, মরিচ | ৩-৪ কেজি
বেগুন, মরিচ | ৩-৪ কেজি
ধান, গম | ৩-৪ কেজি
আলু, আদা, পিঁয়াজ, রসুন, ভূট্টা, গাজর, ওলকচু | ৪-৫ কেজি
আখ, কলা, পান, আনারস | ৯ কেজি
নার্সারী ও বীজ তলা | ৪-৫ কেজি
